অর্থনীতি

প্রবাসী আয়ে নতুন রেকর্ড : একক মাসে সর্বোচ্চ আয়ঃ

নতুন অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে প্রায় ২৫৯.৯৫ কোটি ডলারে প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) এসেছে, বাংলাদেশি টাকায় যার পরিমাণ ২২,০৯৫ কোটি টাকা। কোনো একক মাসে এত বেশি প্রবাসী আয় আগে কখনো আসেনি। এর আগে একক মাসে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় এসেছিল গত জুন মাসে। এর পরিমাণ ছিল ১৮৩ কোটি ডলার বা ১৫,৫৫৫ কোটি টাকা। ডলারের বিপরীতে টাকার মূল্যমান কিছুটা শক্তিশালী হয়ে ৮৪.৯৫ টাকার স্থলে কমে ৮৪.৮০ টাকা হয়। গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে প্রবাসী আয় আসে ১,৮২০ কোটি ডলার। প্রসঙ্গত, বৈধ পথে প্রবাসী আয় বাড়াতে চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে ২% হারে প্রণোদনা ঘোষণা করে সরকার। সে অনুযায়ী, ১ জুলাই থেকে প্রবাসীরা প্রতি ১০০ টাকার বিপরীতে ২ টাকা প্রণোদনা পাচ্ছেন। বাজেটে এ জন্য ৩,০৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়ে। এর সঙ্গে যুক্ত করে অনেক ব্যাংক আরো ১% বেশি প্রণোদনা দিচ্ছে।

প্রণোদনার তালিকাঃ

রপ্তানিতে নগদ প্রণোদনা পাওয়ার তালিকায় নতুন ২৪টি পণ্যকে চিহ্নিত করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে ১৪টি একেবারেই নতুন। ১০টি পণ্যে প্রণোদনা বাড়ানো কথা। এর মধ্যে ৯টিকে ১৫%, ২টিকে ১০%, ২টিকে ২০% ও ১টিকে ৫% হারে প্রণোদনা দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। বাংলাদশে ব্যাংকের ২০১৯ সালের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ৩৭টি শ্রেণির ৪৭ ধরনের পণ্য এখন বিভিন্ন হারে প্রণোদনা পায়। চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটে রপ্তানি প্রণোদনা বাবদ বরাদ্দ রয়েছে ৭,৩২৫ টাকা।

মাথাপিছু আয় ২০৬৪ ডলারঃ (বিবিএস রিপোর্ট)

বাংলাদেশের মানুষের বর্তমানে বার্ষিক মাথাপিছু গড় আয় দুই হাজার ডলার ছাড়িয়ে গেছে। বিদায়ি অর্থবছর (২০১৯-২০) শেষে দেশের মানুষের মাথাপিছু গড় আয় দাঁড়িয়েছে ২,০৬৪ মার্কিন ডলার, যা ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ছিল ১,৯০৯ ডলার। অর্থাৎ দেশের মানুষের মাথাপিছু গড় আয় এক বছরের ব্যবধানে ১৫৫ ডলার বেড়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস)মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) ও মাথাপিছু আয়ের সাময়িক হিসাবে এ চিত্র উঠে আসে।

জিডিপি মাথাপিছু আয়ের সাময়িক হিসাব

 

পরিমাণ (২০১৯-২০)

চলতি মূল্যে খাতভিত্তিক মোট দেশজ উৎপাদন (উৎপাদন-মিলিয়ন টাকা)

মাথাপিছু জাতীয় আয়

১,৭৪,৮৮৮ টাকা

খাত

উৎপাদন

অবদান

প্রবৃদ্ধির হার

মাথাপিছু জাতীয় আয়

২,০৬৪ ডলার

১. কৃষি খাত

৩৪,৭৬,৩৮১

১৩.০২%

৭.৮৩%

মাথাপিছু জিডিপি

১,৬৬,৮৮৮ টাকা

২. শিল্প খাত

৮৩,১০,৮৯৬

৩১.১৩%

১০.২৫%

মাথাপিছু জিডিপি

১,৯৭০ ডলার

৩. সেবা খাত

১,৪৯,১৪,২৩১

৫৫.৮৬%

১১%

জিডিপি’র প্রবৃদ্ধির হার

৫.২৪ %

স্থির মূল্যে খাতভিত্তিক মোট দেশজ উাৎপাদন (উৎপাদন-মিলিয়ন টাকা)

মোট জিডিপি

২৭,৯৬৩,৭৮২ মিলিয়ন টাকা

খাত

উৎপাদন

অবদান

প্রবৃদ্ধির হার

মোট জাতীয় আয়

২৯,৩০৪,২৬২ মিলিয়ন টাকা

১. কৃষি খাত

১৪,৯৬,৪৪৮

১৩.৩৫%

৩.১১%

মোট জনসংখ্যা

১৬.৭৬ কোটি

২. শিল্প খাত

৩,৯৬৪,২২৪

৩৫.৩৬%

৬.৪৮%

বিনিময় হার

৮৪.৭১

৩. সেবা খাত

৫,৭৫১,৭৮২

৫১.৩০%

৫.৩২%

 মুঠোফোনে কথা বলার খরচ বাড়লঃ

মুঠোফোনে কথা বলা ও ইন্টারনেট ব্যবহারে খরচ কিন্তু বেড়ে গেছে। মুঠোফোনের সিম ও রিম কার্ডের মাধ্যমে দেওয়া সেবার ওপর সম্পূরক শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়েছে। এখন ১০০ টাকার রিচার্জ করা হলে ৭৮ টাকার মতো ব্যবহার করতে পারবেন ব্যবহারকারী। বাকিটা সরকারের শুল্ক কর খাতে চলে যাবে।

বেসরকারি বিনিয়োগ লক্ষ্য ২৫. শতাংশঃ

২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) তুলনায় বিনিয়োগের হার ধরা হয়েছে ৩৩ দশমিক ৫ শতাংশ। বেসরকারি বিনিয়োগ ২৫ দশমিক ৩ শতাংশ ও সরকারি বিনিয়োগ ৮ দশমিক ২ শতাংশ।

 কমলো ব্যাংক সুদহারঃ

করোনার আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের জন্য ২৯ জুলাই ২০২০ বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য একটি সম্প্রসারণমূলক ও সংকুলানমুখী মুদ্রানীতি ঘোষণা করে। বিশেষ এ পরিস্থিতিতে ব্যাংকের ঋণ দেয়ার ক্ষমতা বাড়াতে এবং বাজারে সুদহার যাতে কমে সেই জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক দীর্ঘ ১৭ বছর পর ব্যাংক রেট কমায়। এর আগে সর্বশেষ ৬ নভেম্বর ২০০৩ সালে ব্যাংক রেট ৬% থেকে কমিয়ে ৫% নির্ধারণ করা হয়েছিল। বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ব্যাংক রেট ছিল ১৯৮৯ সালে; ৯.৭৫%। এরপর বর্তমানের ৪% ই সর্বনিম্ন ব্যাংক হার। ২৯ জুলাই ২০২০ ব্যাংক রেট কমানোর সাথে সাথে কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রানীতির অন্যতম উপকরণ ট্রেজারি বিল পুনঃক্রয় চুক্তি বা রেপোর সুদের হার এবং রিভার্স রেপোর সুদের হার কমায়। ৩০ জুলাই ২০২০ থেকে এ সুদহার কার্যকর হয়।

   ব্যাংক রেট: বাণিজ্যিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান তহবিল সঙ্কটে পড়লে কেন্দ্রীয় ব্যাংক যে হারে ঋণ দিয়ে থাকে তাই হলো Bank Rate, যা ব্যাংকিং খাতে মৌলিক নীতিনির্ধারণী সুদের হার হিসেবে পরিচিত।    

   রেপো রিভার্স রেপো: ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নগদ টাকার প্রয়োজন হলে তার ট্রেজারি বিল বা বন্ড কেন্দ্রীয় ব্যাংকে পুনরায় ফেরত দিয়ে নগদ টাকা তুলে নিতে পারে, যা রেপো নামে অভিহিত। আবার এসব ট্রেজারি বিল বা বন্ড কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর পুনরায় কিনে নিলে, তা ‘রিভার্স রেপো’ নামে পরিচিত।

২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটঃ

বাজেট: ৪৯তম

ঘোষণা হয়: ১১ জুন ২০২০

বাজেট পেশ করেন: অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল (অর্থমন্ত্রীর দ্বিতীয় বাজেট)।

বাজেটের স্লোগান: ‘অর্থনৈতিক উত্তরণ ও ভবিষ্যতের পথ পরিক্রমা’।

২০২০২১ অর্থবছরে বাজেটের আকার: ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকা। জিডিপির ১৯.৯%।

জিডিপির আকার: ৩১ লাখ ৭১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা।

প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য: ৮.২%

মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য: ৫.৪%

মাথাপিছু গড় আয়: ২ হাজার ৩২৬ ডলার (বর্তমান আয় : ২০৬৪ ডলার)

বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির ব্যয়: ২ লাখ ৫ হাজার ১৪৫ কোটি টাকা।

রাজস্ব আয়: ৩ লাখ ৭৮ হাজার কোটি টাকা।

ঘাটতি: ১ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা।

রাজস্ব ঘাটতি: ১ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা।

করবহির্ভূত রাজস্ব আহরনের পরিমাণ: ১৫ হাজার কোটি টাকা।

কর ব্যতীত প্রাপ্তির পরিমাণ: ৩৩ হাজার ৩ কোটি টাকা।

বৈদেশিক ঋণ: ৭৬ হাজার ৪ কোটি টাকা।

বৈদেশিক অনুদান পাওয়ার পরিমাণ: ৪ হাজার ১৩ কোটি টাকা।

করমুক্ত আয় সীমা (নারী): ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

করমুক্ত আয় সীমা (পুরুষ): ৩ লাখ টাকা।

স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ: ২৯ হাজার ২৪৭ কোটি টাকা।

করোনা মোকাবিলায় থোক বরাদ্দ: ১০ হাজার কোটি টাকা।

দাম বাড়বে: তামাক পণ্য, আমদানি করা পেঁয়াজ, কার জিপের নবায়ন ফিটনেস, আসবাব, মুঠোফোন কলরেট।

দাম কমবে: স্বর্ণ, ওষুধ, কৃষিযন্ত্র, পোলট্রি ও ডেইরি কাঁচামাল আমদানিতে।

শুল্কমুক্ত: করোনার কিট, মাস্ক, পিপিই কাঁচামাল আমদানিতে।

সরকারের পরিচালনায় ব্যয়: ৩ লাখ ৪৮ হাজার ১৮০ কোটি টাকা।

মৌলিক অর্থসূচকে বাংলাদেশঃ (অর্থবছর ২০১৯-২০২০)

১০ আগষ্ট ২০২০ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের GDP’র সাময়িক খাতওয়ারি প্রবৃদ্ধির হার এবং মাথাপিছু আয় প্রকাশ করে। কৃষি, শিল্প ও সেবা- এ তিনটিকে প্রধান খাত ধরে গণনা করা হয় GDP।

জনসংখ্যা

GDP

GNI

মাথাপিছু GDP

মাথাপিছু জাতীয় আয়

GDP’র প্রবিদ্ধর হার

১৬৭.৫৬ মিলিয়ন

২৭৯৬৩৭৮২ মিলিয়ন টাকা

২৯৩০৪২৬২ মিলিয়ন টাকা

১৬৬৮৮৮ টাকা বা ১৯৭০ মার্কিন ডলার

১৭৪৮৮৮ টাকা বা ২০৬৪ মার্কিন ডলার

৫.২৪%


জিডিপি খাতওয়ারী প্রবৃদ্ধির হার অবদান (%) ভিত্তিবছর ২০০৫০৬

বৃহৎ খাত

খাত/উপখাত

প্রবৃদ্ধির হার (%)

অবদানের হার (%)

২০১৮-১৯

২০১৯-২০(সাময়িক)

২০১৮-১৯

২০১৯-২০(সাময়িক)

কৃষি

১. কৃষি ও বনজ

৩.১৫

২.০৮

১০.১৫

৯.৮৩

ক. শস্য ও

শাকসবজি

১.৯৬

০.৮৯

৭.০৬

৬.৭৬

খ. প্রাণিসম্পদ

৩.৫৪

৩.০৪

১.৪৭

১.৪৩

গ. বনজসম্পদ

৮.৩৪

৬.৩৬

১.৬২

১.৬৪

২. মৎস্যসম্পদ

৬.২১

৬.১০

৩.৪৯

৩.৫২

শিল্প

৩. খনিজ ও খনন

৫.৮৮

৪.৩৮

১.৭৪

১.৭২

ক. প্রাকৃতিক গ্যাস ও অপরিশোধিত তেল

-০.৭৯

-০.৫১

০.৮৫

০.৮০

খ. অন্যান্য খনিজ সম্পদ ও খনন

১৩.০৮

৯.০১

০.৮৯

০.৯২

৪. শিল্প

(ম্যানুফ্যাকচারিং)

১৪.২০

৫.৮৪

২৪.০৮

২৪.১৮

ক.বৃহৎও মাঝারি শিল্প

১৪.৮৪

৫.৪৭

২০.২১

২০.২২

খ.ক্ষুদ্রায়তন শিল্প

১০.৯৫

৭.৭৮

৩.৮৭

৩.৯৬

৫. বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানিসম্পদ

৯.৫৮

৬.১৬

১.৫৫

১.৫৭

ক. বিদ্যুৎ

১০.৩৩

৬.৫৫

১.৩৪

১.৩৫

খ. গ্যাস

০.৫৭

১.১৫

০.১২

০.১২

গ. পানি

১১.৫৭

৭.০১

০.০৯

০.১০

৬. নির্মাণ

১০.২৫

৯.০৬

৭.৬৩

৭.৮৯

সেবা

৭.পাইকারি

ও খুচরা বাণিজ্য

৮.১৪

৫.০২

১৩.৯২

১৩.৮৭

৮. হোটেলও রেস্তোরাঁ

৭.৫৭

৬.৪৬

০.৭৪

০.৭৫

৯. পরিবহন, সংরক্ষণ ও যোগাযোগ

৭.১৯

৬.১৯

১১.০১

১১.০৯

ক.স্থলপথ পরিবহন

৭.০৬

৬.৪৩

৭.০১

৭.০৭

খ.জলপথ পরিবহন

৩.৬৩

৩.৪২

০.৬৮

০.৬৭

গ.আকাশপথ পরিবহন

৬.৩৭

৪.৬১

০.১০

০.১০

ঘ.সহযোগী পরিবহন সেবা ও সংরক্ষণ

৮.৯৪

৬.৮৮

০.৬৪

০.৬৫

ঙ.ডাক ও টেলিযোগাযোগ

৮.১২

৬.১৬

২.৫৮

২.৫৯

১০.আর্থিক প্রতিষ্ঠানিক সেবা

৭.৩৮

৪.৪৬

৩.৪২

৩.৩৯

ক.ব্যাংক

৭.৩৮

৪.১৯

২.৯৫

২.৯১

খ. বীমা

৪.৯৬

৪.০৫

০.২৯

০.২৯

গ.অন্যান্য

১১.৫৫

৯.৪৮

০.১৮

০.১৯

১১.রিয়েল এস্টেট,ভাড়া

অন্যান্য ব্যবসা

৫.২৩

৪.৮৫

৬.১৩

৬.০৯

১২. লোকপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা

৬.৪০

৬.০২

৩.৬৫

৩.৬৭

১৩. শিক্ষা

৭.৬৬

৬.১৯

২.৪৪

২.৪৬

১৪.স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা

১১.৭৯

৯.৯৬

১.৮৯

১.৯৭

১৫.কমিউনিটি, সামাজিক

ও ব্যক্তিগত সেবা

৩.৭২

৩.৬১

৮.১৫

৮.০১

 

স্থিরমূল্যে GDP’র প্রবৃদ্ধির হার

৮.১৫

৫.২৪

১০০

১০০


জিডিপিতে সার্বিক খাতসমূহের অবদান প্রবৃদ্ধির হার

খাতসমূহ

প্রবৃদ্ধির হার (%)

অবদানের হার (%)

 

২০১৮-১৯

২০১৯-২০(সাময়িক)

২০১৮-১৯

২০১৯-২০(সাময়িক)

কৃষি

৩.৯২

৩.১১

১৩.৬৫

১৩.৩৫

শিল্প

১২.৬৭

৬.৪৮

৩৫.০০

৩৫.৩৬

সেবা

৬.৭৮

৫.৩২

৫১.৩৫

৫১.৩০

সার্বিক জিডিপি (উৎপাদন মূল্যে)

৮.১৫

৫.২৪

১০০.০০

১০০.০০

সবচেয়ে বড় অর্থনীতি চীনঃ

মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির হিসাবে বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনীতি চীন। বিশ্বব্যাংকের মতে, মূল্য সমন্বয় করলে চীনের জিডিপি বর্তমানে ২২.৫ ট্রিলিয়ন ডলার। ২০১৭ সালের স্থিরমূল্যকে ২০১৯ সালের ক্রয়ক্ষমতার সঙ্গে সমন্বয় করে এ হিসাবটি বের করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) প্রাক্কলন অনুযায়ী, করোনাভাইরাসের প্রভাবে ২০২০ সালের চীনের অর্থনীতি বাড়বে ১.২% হারে। অন্যদিকে, ক্রয়ক্ষমতা সমন্বয় করলে ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের জিডিপির পরিমাণ ২০.৬ ট্রিলিয়ন ডলার। তবে ২০২০ সালে দেশটির জিডিপি কমবে ৬% হারে। IMF-এর মতে, ২০২৪ পর্যন্ত চীন ও যুক্তরাষ্ট্র তাদের বর্তমান অবস্থায় থাকবে। তবে এ সময়ে জার্মানিকে সরিয়ে সে স্থান দখল করবে ইন্দোনেশিয়া। আর ২০৩০ সালের মধ্যে ভারত যুক্তরাষ্ট্রকেও হটিয়ে দেবে।

বিশ্বের শীর্ষ অর্থনীতিঃ (হিসাব ট্রিলিয়ন ডলার)

নং

দেশ

জিডিপি ২০১৯

প্রবৃদ্ধি (%)

চীন

২২.৫৩

১.২

যুক্তরাষ্ট্র

২০.৫৫৭

-৫.৯

ভারত

৯.২৩

১.৯

জাপান

৫.২১

-৫.২

জার্মানি

৪.৪৭

-৭.০

রাশিয়া

৩.৯৭

-৫.৫

ইন্দোনেশিয়া

৩.২০

০.৫

যুক্তরাজ্য

৩.১২

-৬.৫

Leave a Reply