Monthly Affairs
|
|
বাংলাদেশ বিষয়াবলি
Bangladesh
September, 2026
কালানুক্রমিক ঘটনাবলি
০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
♦ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।
♦ সিলেট বিজিবি সেক্টর সদর দপ্তরে দেশের প্রথম 'সীমান্ত স্কুল অব সার্ভেইল্যান্স অ্যান্ড ড্রোন ওয়ারফেয়ার' প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উদ্বোধন।
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
♦ BPSC-এর চেয়ারম্যান নিয়োগ পান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজমুজ্জামান ভূঁইয়া।
০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
♦ দ্বিগুণ সক্ষমতার দ্বিতীয় তেল শোধনাগারটি নির্মাণে ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (IDB) সঙ্গে চুক্তি করে বাংলাদেশ সরকার।
০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
♦ জাতীয় সংসদে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬ এবং গুম প্রতিরোধ 'ও প্রতিকার বিল, ২০২৬ পাশ।
♦ BPSC-এর চেয়ারম্যান হিসেবে শপথ নেন মোহাম্মদ নাজমুজ্জামান ভূঁইয়া।
০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
♦ ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের মহেশালী এলাকায় ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
♦ চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল-২ থেকে প্রথমবারের মতো রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হয়।
০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
♦ দাপ্তরিক যোগাযোগে ও নথিপত্রে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের পদবির আগে 'মহামান্য' ও 'মাননীয়' বা অন্য কোনো সম্মানসূচক শব্দ লিখিতভাবে ব্যবহার না করার পরিপত্র জারি।
♦ জাতীয় সংসদে ব্যাংক রেজুলেশন (সংশোধন) বিল, ২০২৬ পাশ।
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
♦ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শেষ হয়।
♦ জাতীয় সংসদে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (SRB) বিল, ২০২৬ ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (APBn) বিল, ২০২৬ পাশ।
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
♦ বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের সরকারি-বেসরকারি সব ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহী বা ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের দায়-দায়িত্ব ও কর্মমূল্যায়ন নির্ধারণ করে।
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
♦ স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (SRB) আইন, ২০২৬-এর প্রজ্ঞাপন গেজেট আকারে প্রকাশ।
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
♦ বাংলাদেশ পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের যাত্রা শুরু।
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
♦ চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬ জারি।
২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
♦ মৃত সরকারি কর্মচারীর বিধবা স্ত্রী ও বিপত্নীক স্বামী পুনর্বিবাহ না করার শর্তে আজীবন পারিবারিক পেনশন পাওয়ার আদেশ জারি।
২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
♦ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬ জারি।
♦ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
♦ যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি নতুন বিমান ক্রয়ের চুক্তি করে বাংলাদেশ।
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
♦ বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় ৪টি ডিজিটাল ব্যাংকের প্রাথমিক অনুমোদন দেওয়া হয়।
আলোচিত বাংলাদেশ
নব-নিযুক্ত
BPSC'র সভাপতি
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (BPSC) নতুন সভাপতি (চেয়ারম্যান) নিয়োগ পান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজমুজ্জামান ভূঁইয়া। BPSC-এর প্রধানকে প্রচলিতভাবে 'চেয়ারম্যান' বলা হলেও সংবিধান, সংশ্লিষ্ট আইন ও সরকারি প্রজ্ঞাপনে পদটি 'সভাপতি' হিসেবে উল্লেখ করা হয়। সংবিধানের ১৩৭,১৩৮ ও ১৩৯ অনুচ্ছেদে 'সভাপতি' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। একইভাবে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন আইন, ২০২৩-এ কমিশনের প্রধানের পদবি 'সভাপতি' বলা হয়।
পুরস্কার-সম্মাননা
হুমায়ুন কবির সাহিত্য পুরস্কার
২০২৬ সালের হুমায়ুন কবির সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন গবেষণায় মোহাম্মদ হাননান, কবিতায় আজাদুর রহমান ও কথাসাহিত্যে কিযী তাহনিন। ২৭ আগস্ট ২০২৬ তাদের হাতে ক্রেস্ট ও ৫০,০০০ টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ ও রাজনীতিক বহুমাত্রিক পরিচয়ের হুমায়ুন কবিরের জন্ম ফরিদপুরের কোমরপুরে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের আন্তর্জাতিক সম্মাননা
আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও জেন্ডার-সংবেদনশীল আর্থিক সেবা সম্প্রসারণে উল্লেখযোগ্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বাংলাদেশ ব্যাংক Alliance for Financial Inclusion (AFI) থেকে 'এএফআই মায়া ডিক্লারেশন কমিটমেন্ট অ্যাওয়ার্ড ২০২৬' এবং 'এএফআই জেন্ডার ইনক্লুসিভ ফাইন্যান্স চ্যাম্পিয়ন ইনস্টিটিউশন' গ্রহণ করে। ১ জানুয়ারি ২০০৮ গঠিত AFI আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বিষয়ে নীতিনির্ধারণী ও নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন।
কালি ও কলম সাহিত্য পুরস্কার
৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ 'কালি ও কলম তরুণ কবি ও লেখক পুরস্কার ২০২৫' প্রদান করা হয়। মুক্তিযুদ্ধ ও বিপ্লব বিভাগে মানসম্মত গ্রন্থ না পাওয়ায় এবার কোনো পুরস্কার দেওয়া হয়নি।
|
বিভাগ |
গ্রন্থ/পত্রিকা |
লেখক |
|
কবিতা |
এই গ্রাম কুড়িয়ে পেয়েছি |
রনক জামান |
|
প্রবন্ধ ও গবেষণা |
বাংলাদেশ পাঠ: সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক ক্রিয়াশীলতার অনুষঙ্গে |
রাফাত আলম |
|
কথাসাহিত্য |
ত্রিস্তান |
হামিম কামাল |
|
শিশু-কিশোর সাহিত্য |
দস্যু ও দুই দুরন্ত |
রবিউল কমল |
জাতিসংঘে তারেক রহমানের প্রথম ভাষণ
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান UNGA-এর ৮১তম অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দেন। বিশ্বের যেকোনো দেশের ক্ষেত্রে এটি বিরল ঘটনা। UNGA-এর ইতিহাসে এর আগে কখনও একই পরিবারের তিন সদস্য (বাবা, মা ও ছেলে) রাষ্ট্র বা সরকার প্রধান হিসেবে সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেননি। অন্যদিকে ১৯৮৬ সালে UNGA-এর ৪১তম অধিবেশনের পর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সদস্য হিসেবে সভাপতিত্ব করছে বাংলাদেশ। এই দুই কারণে এবারের অধিবেশন বাংলাদেশের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ।
প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের উল্লেখযোগ্য দিক
♦ রাষ্ট্র মেরামতে 'থ্রি আর': রিকভারি (পুনরুদ্ধার), রেস্টোরেশন (পুনঃপ্রতিষ্ঠা) ও রিকনস্ট্রাকশন (পুনর্গঠন) কৌশলে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ঘোষণা।
♦ রোহিঙ্গাদের ফেরাতে বিশ্বকে আহ্বান: নিরাপদ প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সমর্থন চান; ফিরে যাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত রোহিঙ্গাদের জীবন রক্ষাকারী সহায়তা অব্যাহত রাখার আহ্বান।
♦ গাছ লাগানো ও খাল-খনন: আগামী পাঁচ বছরে দেশে ২৫ কোটি গাছ লাগানো এবং সারা দেশে ২০ হাজার কি.মি. খাল খননের কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি মোকাবিলায় অর্থায়ন ও অভিযোজন সহায়তার প্রত্যাশা।
♦ সকল কার্ড এক করার পরিকল্পনা: ফ্যামিলি, কৃষক, ক্রীড়া ও স্বাস্থ্য কার্ড সমন্বয় করে একটি 'ইউনিভার্সাল কার্ড' চালুর পরিকল্পনা।
♦ তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য বরাদ্দ: তরুণ উদ্যোক্তা, গবেষক ও উদ্ভাবকদের স্টার্টআপ উদ্যোগে চলতি অর্থবছরে ৫ কোটি ডলার বরাদ্দ রাখার ঘোষণা।
♦ উত্তরণে সহায়তা চায় বাংলাদেশ: স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে টেকসই উত্তরণে অর্থায়ন, বাজারে প্রবেশাধিকার, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও সক্ষমতা বৃদ্ধির সহায়তা কামনা।
♦ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় বৈষম্যের শঙ্কা: ডিজিটাল বৈষম্য যাতে ভবিষ্যতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় না গড়ায়, সে জন্য প্রযুক্তিতে ন্যায্য প্রবেশাধিকার চান।
♦ বিশ্বশান্তি ও ফিলিস্তিন সংঘাতের সমাধান: আলোচনা ও কূটনীতির মাধ্যমে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের পক্ষে সমর্থন পুনর্ব্যক্ত।
জাতিসংঘে জিয়া পরিবার
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পিতা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ২৬ আগস্ট ১৯৮০ প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেন। সেটি ছিল UNGA-এর ১১তম বিশেষ অধিবেশন। জিয়াউর রহমানের সেই ভাষণের ঠিক ১৩ বছর পর ১ অক্টোবর ১৯৯৩ তার মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া UNGA-এর ৪৮তম অধিবেশনে প্রথমবার বাংলায় ভাষণ দেন। জাতিসংঘের নথি অনুযায়ী, খালেদা জিয়া ১৯৯৩-২০০৫ সাল পর্যন্ত মোট পাঁচবার সাধারণ পরিষদের কার্যক্রমে ভাষণ দেন। এর মধ্যে রয়েছে ২৩ অক্টোবর ১৯৯৫ জাতিসংঘের ৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে স্মারকসভা এবং ৮ মে ২০০২ শিশুবিষয়ক ২৭তম বিশেষ অধিবেশন। এছাড়াও তিনি ১৪ সেপ্টেম্বর ২০০৫ জাতিসংঘ বিশ্ব সম্মেলন এবং ১৭ সেপ্টেম্বর ২০০৫ UNGA-এর ৬০তম অধিবেশনে ভাষণ দেন।
জিয়াউর রহমান তার প্রথম ভাষণে ধনী ও দারিদ্র্য দেশগুলোর মধ্যে ক্রমবর্ধমান বৈষম্য, দারিদ্র্য, ক্ষুধা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং বৃহত্তর আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তখন তেলের সংকট এবং উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক বৈষম্যের বিষয়টি নিয়ে নিজের প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। বিশেষ করে বাংলাদেশের নিজস্ব স্বার্থ নির্ধারণ ও তা অনুসরণের ক্ষেত্রে নিজেদের সক্ষমতা প্রয়োগের প্রয়োজনীয়তা জিয়াউর রহমান তার নিজস্ব ভাষায় তুলে ধরেন।
বেগম খালেদা জিয়া তার প্রথম ভাষণে গণতন্ত্র ও উন্নয়নের প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার তুলে ধরার পাশাপাশি বৃহত্তর আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, ক্ষুদ্র রাষ্ট্রগুলোর অধিকারের সুরক্ষা এবং আরও ন্যায়সংগত বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান। তিনি নদীর পানিবণ্টন, সমুদ্র আইন, পরিবেশ সুরক্ষা, শরণার্থী ও অর্থনৈতিক অভিবাসীবিষয়ক ও বাস্তুচ্যুত ব্যক্তিদের মর্যাদা ও অবস্থানের মতো বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকারমূলক ক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত করেন। এছাড়াও বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের ৫৪টি অভিন্ন নদী রয়েছে এবং অভিন্ন নদীগুলোর পানিসম্পদের ওপর বাংলাদেশের 'অন্তর্নিহিত ও আইনগত অধিকারের' ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
নবম জাতীয় পে-স্কেল
৩১ আগস্ট ২০২৬ মন্ত্রিসভার বৈঠকে জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ অনুমোদন করে। এরপর ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ চাকরি বেতন ও ভাতাদি আদেশ ২০২৬ জারি করে।
♦ সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার সর্বোচ্চ ১ লাখ ৫৬ হাজার
কোন গ্রেডে কত বেতন বাড়বে
|
গ্রেড |
২০১৫ |
২০২৬ |
|
১ |
৭৮,০০০ (নির্ধারিত) |
১,৫৬,০০০ (নির্ধারিত) |
|
২ |
৬৬,০০০-৭৬,৪৯০ |
১,৩২,০০০-১,৫৩,০০০ |
|
৩ |
৫৬,৫০০-৭৪,৪০০ |
১,১৩,০০০-১,৪৮,৮০০ |
|
৪ |
৫০,০০০-৭১,২০০ |
১,০০,০০০-১,৪২,৪০০ |
|
৫ |
৪৩,০০০-৬৯,৮৫০ |
৮৬,০০০-১,৩৯,৭০০ |
|
৬ |
৩৫,৫০০-৬৭,০১০ |
৭১,০০০-১,৩৪,০০০ |
|
৭ |
২৯,০০০-৬৩,৪১০ |
৫৮,০০০-১,২৬,৮০০ |
|
৮ |
২৩,০০০-৫৫,৪৭০ |
৪৬,০০০-১,১০,৮০০ |
|
৯ |
২২,০০০-৫৩,০৬০ |
৪৪,০০০-১,০৫,৯০০ |
|
১০ |
১৬,০০০-৩৮,৬৪০ |
৩২,০০০-৭৭,৩০০ |
|
১১ |
১২,৫০০-৩০,২৩০ |
২৫,০০০-৬০,৫০০ |
|
১২ |
১১,৩০০-২৭,৩০০ |
২৪,৩০০-৫৮,৭০০ |
|
১৩ |
১১,০০০-২৬,৫৯০ |
২৪,০০০-৫৮,০০০ |
|
১৪ |
১০,২০০-২৪,৬৮০ |
২৩,৫০০-৫৬,৮০০ |
|
১৫ |
৯,৭০০-২৩,৪৯০ |
২২,৮০০-৫৫,২০০ |
|
১৬ |
৯,৩০০-২২,৪৯০ |
২১,৯০০-৫২,৯০০ |
|
১৭ |
৯,০০০-২১,৮০০ |
২১,৪০০-৫১,৯০০ |
|
১৮ |
৮,৮০০-২১,৩১০ |
২১,০০০-৫০,৯০০ |
|
১৯ |
৮,৫০০-২০,৫৭০ |
২০,৫০০-৪৯,৬০০ |
|
২০ |
৮,২৫০-২০,০১০ |
২০,০০০-৪৮,৪০০ |
বিশেষ তথ্য:
♦ পেনশন সর্বনিম্ন ১৮,০০০, সর্বোচ্চ ৭০,২০০ টাকা
♦ বাংলা নববর্ষের ভাতা ৫% কমিয়ে মূল বেতনের ১৫% করা হয়
♦ সর্বনিম্ন গ্রেডে বৃদ্ধি: ১৪২%; সর্বোচ্চ গ্রেডে বৃদ্ধি: ১০০%
♦ নতুন বেতন কাঠামোয় সর্বনিম্ন-সর্বোচ্চ বেতনের অনুপাত: ১:১.৭৮
♦ উপকৃত কর্মচারী: প্রায় ২৪ লাখ; অবসরপ্রাপ্ত ও অন্যান্য সুবিধাভোগী: প্রায় ৯ লাখ
♦ অতিরিক্ত বার্ষিক ব্যয়: প্রায় ১,০৫,৫৮০ কোটি টাকা।
বর্ধিত বেতন-ভাতা ৪ ধাপে বাস্তবায়ন
|
গ্রেড |
১ জুলাই ২০২৬ |
১ জানুয়ারি ২০২৭ |
১ জুলাই ২০২৭ |
১ জানুয়ারি ২০২৮ |
|
প্রথম-নবম |
৪০% |
৩০% |
৩০% |
ভাতা |
|
১০ম-২০তম |
৫০% |
২৫% |
২৫% |
ভাতা |
পূর্ণ বেতন প্রাপ্তির শর্তাবলি
কোনো কর্মচারী কোনো উচ্চতর পদে ও বেতনস্কেলে পদোন্নতি পেলে ঐ পদে পূর্ণ বেতন পাওয়ার জন্য তাকে নিচের সারণিতে উল্লেখিত চাকরির মেয়াদ পূর্ণ করতে হবে।
|
গ্রেড |
বেতনস্কেল |
চাকরির মেয়াদ |
|
১ |
১,৫৬,০০০ (নির্ধারিত) |
২০ বছর |
|
২ |
১,৩২,০০০-১,৫৩,০০০ |
১৭ বছর |
|
৩ |
১,১৩,০০০-১,৪৮,৮০০ |
১৪ বছর |
|
8 |
১,০০,০০০-১,৪২,৪০০ |
১২ বছর |
|
৫ |
৮৬,০০০-১,৩৯,৭০০ |
১০ বছর |
|
৬ |
৭১,০০০-১,৩৪,০০০ |
৫ বছর |
|
৭ |
৫৮,০০০-১,২৬,৮০০ |
৪ বছর |
সবার জন্য মোবাইল ও প্রতিবন্ধী সন্তান ভাতা
সরকারি কর্মচারীদের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানের জন্য প্রথমবারের মতো প্রতিবন্ধী সন্তান ভাতা চালু করা হয়। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন প্রতি সন্তানের জন্য মাসে দেওয়া হবে ৩, ০০০ টাকা করে ভাতা (অনধিক ২ জন)। এছাড়া ইন্টারনেট ও ডিজিটাল যোগাযোগের ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে সব গ্রেডের জন্য রাখা হয় মোবাইল ভাতা। এতদিন শুধু পঞ্চম গ্রেড থেকে ওপরের ধাপের সবার জন্য মোবাইল ভাতা প্রযোজ্য ছিল। নতুন করে ৬-১০ গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য মাসে ৫০০ টাকা এবং ১১-২০ গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য ৪০০ টাকা মোবাইল ভাতা চালু করা হয়।
বাড়ি ভাড়া (মূল বেতনের)
|
গ্রেড |
ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন |
অন্য ১১ সিটি কর্পোরেশন এবং সাভার ও কক্সবাজার পৌর এলাকা |
অন্যান্য স্থান |
|
১৬-২০ |
৬০% |
৫০% |
৪৫% |
|
১০-১৫ |
৫০% |
৪০% |
৩৫% |
|
৫-৯ |
৪৫% |
৩৫% |
৩০% |
|
১-৪ |
৪০% |
৩০% |
২৫% |
১১ সিটি কর্পোরেশন হলো খুলনা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, রংপুর, গাজীপুর, ময়মনসিংহ ও বগুড়া।
দেশ পরিক্রমা
উত্তরবঙ্গে প্রথম গ্যাসক্ষেত্র
পাবনার সুজানগর উপজেলার মোবারকপুরে নতুন করে গভীর অনুসন্ধান কূপ খননের কাজ শুরু করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি (বাপেক্স)। 'মোবারকপুর ডিপ-১' নামে এই প্রকল্প সফল হলে তা শুধু জাতীয় গ্রিডেই গ্যাস সরবরাহ বাড়াবে না, বদলে দেবে পুরো উত্তরবঙ্গের অর্থনৈতিক দৃশ্যপট। বর্তমানে সুজানগর উপজেলার আহমেদপুর ইউনিয়নের কুড়িপাড়া গ্রামে ৬ একর জমিতে প্রকল্পের উন্নয়ন ও অবকাঠামো নির্মাণের কাজ চলছে। এটি হবে উত্তরবঙ্গের প্রথম পূর্ণাঙ্গ গ্যাস কূপ। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালে রিগ ফাউন্ডেশন নির্মাণ এবং ২০২৮ সালে মূল খননকাজ শুরু হবে। এর আগে ২০১৪ সালে প্রায় ৮৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪.৫ কিলোমিটার গভীরতায় একটি কূপ খননের উদ্যোগ নেয় বাপেক্স। তবে ভূগর্ভে অতিরিক্ত গ্যাসচাপ এবং প্রয়োজনীয় প্রযুক্তির অভাবে নির্ধারিত গভীরতায় পৌঁছানোর আগেই কাজ বন্ধ হয়ে যায়।
নতুন জ্বালানি তেল শোধনাগার
১৯৬৮ সালে দেশের একমাত্র জ্বালানি তেল শোধনাগার Eastern Refinery Public Limited Company (ERPLC) গড়ে তোলা হয়। ৫৮ বছর পর অবশেষে শুরু হতে যাচ্ছে দেশের দ্বিতীয় ও সবচেয়ে বড় তেল শোধনাগার নির্মাণকাজ। ৩০ লাখ টন তেল শোধন সক্ষমতার এ শোধনাগার চালু হলে দেশের ৪৫-৫০% জ্বালানি তেলের চাহিদা মেটানো যাবে। এতে ডিজেল, অকটেনের মতো পরিশোধিত জ্বালানি তেলের আমদানির পরিমাণ কমে আসবে, কমবে খরচ। ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংকের (IsDB) সঙ্গে চুক্তি করে বাংলাদেশ। চুক্তির অধীন এ প্রকল্পে ব্যাংকটি ১০০ কোটি ডলার অর্থায়ন করবে। ২০৩০ সালের নভেম্বরের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।
বর্তমানে ১৫ লাখ টন সক্ষমতার একমাত্র সরকারি পরিশোধনাগারটি চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত। এটি পরিচালনা করে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (BPC) অধীন কোম্পানি ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি (ERL PLC)। একই এলাকায় দ্বিগুণ সক্ষমতার দ্বিতীয় শোধনাগারটি নির্মাণ করা হবে। ২০১২ সালে Installation of ERL-2 নামে প্রকল্পটি প্রথম নেওয়া হয়। প্রকল্পটির নাম পরিবর্তন করে Modernisation and Expansion of ERL নাম দেওয়া হয়। ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ একনেক থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করে বলা হয়, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে খরচ হবে ৩১ হাজার কোটি টাকা।
স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বাংলাদেশ পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট 'স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন' (SRB) আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে। এর ফলে বিলুপ্ত হয়ে যায় র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (RAB)। এর আগে ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ জাতীয় সংসদে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (SRB) বিল, ২০২৬ পাশ হয়। ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রাষ্ট্রপতি সম্মতি দেয়। ২৬ মার্চ ২০০৪ র্যাব গঠিত হয় এবং একই বছরের ১৪ এপ্রিল কার্যক্রম শুরু করে।
পরবর্তীকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সফলতার পাশাপাশি বিচারবহির্ভূত হত্যা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে বাহিনীটিকে বিলুপ্তির দাবি ওঠে। ১০ ডিসেম্বর ২০২১ গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে র্যাব ও বাহিনীটির সাত কর্মকর্তার উপর যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরবর্তীকালে ৩ অক্টোবর ২০২৪ গঠিত পুলিশ সংস্কার বিষয়ক কমিটি র্যাবের প্রয়োজনীয়তা পুনর্মূল্যায়নের সুপারিশ করে।
দায়িত্ব ও কার্যাবলি
♦ জননিরাপত্তা রক্ষা
♦ সন্ত্রাস ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমন
♦ বেআইনি অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক উদ্ধার
♦ মাদক, সাইবার অপরাধ, গুম ও ভূমি দস্যুতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ
♦ নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, মানবপাচার, অপহরণসহ মানবতাবিরোধী কাজে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ
♦ আইনশৃঙ্খলা সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ
♦ আদালত, সরকার বা পুলিশ মহাপরিদর্শকের নির্দেশ অনুসারে উল্লিখিত অপরাধ সংক্রান্ত তদন্ত কার্যক্রম
♦ সরকার কর্তৃক অর্পিত আইনসঙ্গত অন্যান্য দায়িত্ব ও কার্যাবলি সম্পাদন।
নতুন BOP উদ্বোধন
সীমান্ত সুরক্ষায় আভিযানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ চট্টগ্রামের উত্তর ফটিকছড়ির সীমান্তবর্তী রহমতপুর এলাকায় বিজিবির নতুন একটি Border Observation Post (BOP) ক্যাম্প উদ্বোধন করা হয়। খাগড়াছড়ির রামগড়ের ৪৩ ব্যাটালিয়নের আওতাধীন রামগড়, চট্টগ্রামের উত্তর ফটিকছড়ি ও মীরসরাই উপজেলার সীমান্তে আগে থেকে ১২টি BOP ক্যাম্প ছিল। এটি রহমতপুরে ব্যাটালিয়নের ১৩তম BOP ক্যাম্প। এর আগে ৫ অক্টোবর ২০২৫ মীরসরাইয়ের দুর্গম পাহাড়ি সীমান্ত এলাকায় ছোট ফরিংগা BOP ক্যাম্প চালু করা হয়।
BOP-এর কাজ
♦ প্রতিবেশী দেশের সাথে সীমানা নিরাপত্তা রক্ষা করা।
♦ অবৈধভাবে সীমান্ত পারাপার বা অনুপ্রবেশ বন্ধ করা।
♦ মাদক, অস্ত্র ও বিভিন্ন দ্রব্য চোরাচালান আটক করা।
♦ দুর্গম ও নদীপথে ভাসমান জলযানের মাধ্যমে পাহারা জোরদার করা
চীন-বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা সহযোগিতা চুক্তি
২৮ আগস্ট ২০২৬ 'চীন-বাংলাদেশ ভোকেশনাল এডুকেশন, ট্রেনিং অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার'-এর প্রশিক্ষণকেন্দ্র স্থাপনের জন্য বাংলাদেশ-চীন সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ-চীন কারিগরি শিক্ষা সহযোগিতায় এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়। সমঝোতার অধীনে কারিগরি প্রশিক্ষণ, দ্বিভাষিক শিক্ষা উপকরণ, শিল্প-শিক্ষা সংহতি, গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা এবং বাংলাদেশে চীনা পরিচালিত শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের সুযোগ নিশ্চিত করা হবে।
বিদেশি বিনিয়োগে প্রথম কনটেইনার টার্মিনাল
৩০ আগস্ট ২০২৬ চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় লালদিয়ার চরে বিদেশি বিনিয়োগে দেশের প্রথম কনটেইনার টার্মিনালের নির্মাণকাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। ডেনমার্কের মায়ের্সক গ্রুপের প্রতিষ্ঠান APM Terminals এই টার্মিনাল নির্মাণে ৭৬ কোটি ডলার বিনিয়োগ করে। ১৭ নভেম্বর ২০২৫ চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এপিএম টার্মিনালসের এ সংক্রান্ত চুক্তি হয়। চুক্তির আওতায় ২২ এপ্রিল ২০২৬ লালদিয়ার ৪৯.১৫ একর জমি এপিএমকে বুঝিয়ে দেয় বন্দর কর্তৃপক্ষ। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (PPP) আওতায় ২০২৯ সালের শেষ নাগাদ টার্মিনালটির নির্মাণকাজ শেষ হবে। ২০৩০ সালে এটি চালু হবে। প্রকল্পটিতে স্থানীয় অংশীদার হিসেবে রয়েছে কিউএনএস কনটেইনার সার্ভিসেস লিমিটেড।
দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ গ্রন্থাগার
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় নির্মিত হবে বিশ্বমানের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার। ধারণ-ক্ষমতা ও সুযোগ-সুবিধার দিক থেকে এটি হবে দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ এবং এশিয়া মহাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম অত্যাধুনিক গ্রন্থাগার ভবন। রোমান সাম্রাজ্যের বিখ্যাত স্থাপত্য 'কলোসিয়াম'-এর বৃত্তাকার নকশা ও স্তম্ভের ছন্দের প্রতিফলন থাকছে ভবনটির নকশায়। প্রায় ১০১.৮৬ কোটি টাকা ব্যয়ের প্রায় ২.৫ লাখ বর্গফুট আয়তনের ছয়তলা এই ভবনে একই সময়ে ৫-৭ হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করতে পারবেন। ১৯৮৫ সালে চালু হওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারটিতে মাত্র ৪৪৭টি আসন রয়েছে। এখানে দেশি-বিদেশি পাঠ্যবই, রেফারেন্স বই, গবেষণা জার্নাল, ক্যারিয়ার উন্নয়ন এবং সাহিত্য-সংস্কৃতিবিষয়ক প্রায় ৩ লাখ ভলিউম বইয়ের সংগ্রহ রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া অত্যাধুনিক প্রযুক্তিসমৃদ্ধ গ্রন্থাগারটিতে থাকবে ইলেকট্রনিক ওয়ার্কস্টেশন, অডিও-ভিডিও রেকর্ডিং স্টুডিও, অডিও-ভিজ্যুয়াল কিয়স্ক, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) স্টুডিও এবং জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সিস্টেম (GIS) অধ্যয়ন ও গবেষণার জন্য ভূ-স্থানিক গ্রন্থাগার।
চীন থেকে যুদ্ধবিমান ক্রয়
চীন থেকে বিমানবাহিনীর জন্য ২০টি J-10CE যুদ্ধবিমান কিনতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ২৫ আগস্ট ২০২৬ প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। চীনের তৈরি J-10C 'ভিগোরাস ড্রাগন' চতুর্থ প্রজন্মের বহুমাত্রিক যুদ্ধবিমান (Multi-role combat aircraft-MRCA)। সুপারসনিক গতির এ যুদ্ধবিমান একই সঙ্গে আকাশযুদ্ধ, স্থল ও সমুদ্রের লক্ষ্যবস্তুতে হামলা, নজরদারি এবং শত্রুর রাডার ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় আঘাত হানতে সক্ষম। প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে হামলার সক্ষমতা রয়েছে। অন্যান্য যুদ্ধবিমান ও ড্রোনের সঙ্গে সমন্বিতভাবেও অভিযান চালাতে পারে J-10C।
১৯৭৭ সালে চীন থেকে বাংলাদেশ প্রথম যে যুদ্ধবিমান কিনেছিল এর আনুষ্ঠানিক নাম এফ-৬। বাংলাদেশ ১৯৭৩-৭৪ সালে বিনামূল্যে প্রথম যুদ্ধবিমান পায় সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে সেটা হচ্ছে মিগ-২১। বর্তমানে বাংলাদেশের বিমান বাহিনীর বহরে বিমান রয়েছে ২১২টি। এর মধ্যে রাশিয়ার মিগ-২৯ আছে ৮টি। আর চীনের নির্মিত এফ-৭ যুদ্ধবিমান আছে ৩৬টি। এছাড়াও ১৪টি ইয়াক-১৩০ বিমানও রয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর কাছে রয়েছে ৪৪টি ড্রোন।
জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ ইনস্টিটিউট
ঢাকার শ্যামলীতে শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত টিবি হাসপাতালকে জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে রূপান্তর করা হবে। এর ফলে যক্ষ্মা রোগের চিকিৎসা ও নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি রোগ নির্ণয়, গবেষণা ও প্রশিক্ষণের সুযোগ আরও সম্প্রসারিত হবে। এ প্রতিষ্ঠানটি ১৯৬৩ সালে 'টিবি (টিউবারকিউলোসিস) কন্ট্রোল প্রজেক্ট' হিসেবে যাত্রা শুরু করে। ১৯৭১ সালের পর নামকরণ করা হয় 'জাতীয় টিবি কন্ট্রোল প্রজেক্ট, শ্যামলী' এবং তখন থেকেই বহির্বিভাগ সেবা প্রদান শুরু করে। ২০১৫ সালে একটি নতুন চারতলা ভবন নির্মাণ করে হাসপাতালটির নামকরণ করা হয় '২৫০ শয্যাবিশিষ্ট টিবি হাসপাতাল'। ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে অন্তর্বিভাগ সেবা উদ্বোধন করা হয়।
১১টি সংসদীয় আসনের নতুন সীমানা
৩০ আগস্ট ২০২৬ নির্বাচন কমিশন ১১টি সংসদীয় আসনের সীমানা নিয়ে নতুন গেজেট প্রকাশ করে। এসব আসনে নবগঠিত উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ অন্তর্ভুক্ত করা হয়। নতুন গেজেটে থাকা আসনগুলো হলো-
|
নির্বাচনি এলাকা |
অন্তর্ভুক্ত এলাকা |
|
৩ ঠাকুরগাঁও-১ |
ঠাকুরগাঁও সদর, রুহিয়া ও ভূল্লী উপজেলা |
|
৩৭ বগুড়া-২ |
শিবগঞ্জ ও মোকামতলা উপজেলা |
|
১২৭ পিরোজপুর-১ |
পিরোজপুর সদর, নাজিরপুর ও জিয়ানগর উপজেলা |
|
১৫৫ ময়মনসিংহ-১০ |
গফরগাঁও ও দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলা |
|
২৪৫ ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ |
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ও বিজয়নগর উপজেলার ইউনিয়নসমূহ- ইছাপুরা, চম্পকনগর, পত্তন, দক্ষিণ সিংগারবিল, বিষ্ণুপুর, চর ইসলামপুর, পাহাড়পুর, হরষপুর এবং আখাউড়া উপজেলার বরিশল ইউনিয়ন |
|
২৪৬ ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ |
বরিশল ইউনিয়ন ব্যতীত আখাউড়া উপজেলা ও কসবা উপজেলা |
|
২৫১ কুমিল্লা-৩ |
মুরাদনগর ও বাঙ্গরা উপজেলা |
|
২৭৬ লক্ষ্মীপুর-২ |
রায়পুর উপজেলা ও লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা ইউনিয়নসমূহ- উত্তর হামছাদী, দক্ষিণ হামছাদী, দালাল বাজার, চর রুহিতা, পার্বতী নগর, শাকচর, টুমচর, চর রমনীমোহন এবং চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার বশিকপুর ইউনিয়ন |
|
২৭৬ লক্ষ্মীপুর-৩ |
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ইউনিয়নসমূহ- ভাঙ্গা খাঁ, লাহারকান্দি, ভবানীগঞ্জ ও তেওয়ারীগঞ্জ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ইউনিয়নসমূহ- দত্তপাড়া, উত্তর জয়পুর, চন্দ্রগঞ্জ, হাজির পাড়া, চর শাহী, দিঘলী, মান্দারী, কুশাখালী এবং লক্ষ্মীপুর সদর পৌরসভা |
|
২৭৯ চট্টগ্রাম-২ |
ফটিকছড়ি উপজেলা এবং ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা |
|
২৯৪ কক্সবাজার-১ |
চকরিয়া উপজেলা, মাতামুহুরী উপজেলা এবং পেকুয়া উপজেলা। |
বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন
২০২০ সালের ডিসেম্বরে ঢাকার আমিনবাজার বর্জ্য বিদ্যুৎ কেন্দ্র (Waste-to-Energy Project) অনুমোদন পায়। এরপর ১ ডিসেম্বর ২০২১ ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (DNCC), বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (BPDB) এবং চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান চায়না মেশিনারি ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশন (CMEC)-এর মধ্যে এই প্রকল্পের মূল বিনিয়োগ ও বিদ্যুতের ক্রয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
২০২৩ সালের শেষভাগে কাজ শুরু করে ২০২৬ সালের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হলেও ভূমি অধিগ্রহণ, স্থান জটিলতা ও পরিবেশগত প্রভাব নিরূপণের কারণে প্রকল্পটি ধীরগতিতে চলে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে নতুন করে গতি আনতে ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক (AIIB)-এর সদর দপ্তরে অর্থায়ন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। প্রকল্পটি চালু হলে বর্জ্য থেকে উৎপাদিত ৪২.৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে। ২০২৮ সালের আগস্টের মধ্যে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়। টাকার অবমূল্যায়নের কারণে বর্তমানে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫ টাকা।
মহামান্য ও মাননীয় শব্দ ব্যবহার নিষেধ
৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পরিপত্র জারি করে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের সঙ্গে দাপ্তরিক যোগাযোগ, নথিপত্র ও সারসংক্ষেপ উপস্থাপনের ক্ষেত্রে তাদের পদবির আগে সম্মানসূচক শব্দ হিসেবে যথাক্রমে মহামান্য ও মাননীয় শব্দ লিখিতরূপে ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এমতাবস্থায়, সরকারের সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও এর অধীন সব দপ্তরের দাপ্তরিক যোগাযোগ, নথিপত্র ও সারসংক্ষেপ পাঠানোর ক্ষেত্রে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীগণের পদবির আগে যথাক্রমে মহামান্য ও মাননীয় কিংবা অন্য কোনো সম্মানসূচক শব্দ লিখিতরূপে ব্যবহার না করার জন্য অনুরোধ করা হয়।
বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় UBEST
কক্সবাজারে সামুদ্রিক সম্পদ ও নীল অর্থনীতিকে (Blue Economy) কাজে লাগাতে University of Blue Economy Sciences and Technology (UBEST) নামে একটি বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়। নতুন করে সময় ও অর্থ অপচয় এড়াতে কক্সবাজারে অবস্থিত বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট (BORI)-এর বিদ্যমান অবকাঠামো ব্যবহার করে বিশ্ববিদ্যালয়টি - চালুর প্রস্তাব করা হয়। ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে পাঠানো ডিও লেটারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ UBEST প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করেন।
দেশের প্রথম ড্রোন প্রশিক্ষণকেন্দ্র
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সিলেটে দেশের প্রথম 'সীমান্ত স্কুল অব সারভেইল্যান্স অ্যান্ড ড্রোন ওয়ারফেয়ার' উদ্বোধন করা হয়। দেশের দুর্গম সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বাড়াতে থার্মাল ইমেজিং ও নাইট ভিশন সুবিধাসম্পন্ন ড্রোন ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (BGB)। যেসব সীমান্ত এলাকায় জনবল দিয়ে ম্যানুয়ালি নজরদারি করা কঠিন, সেখানে ডিজিটাল নজরদারি, নাইট ভিশন ও থার্মাল ইমেজিং ড্রোন ব্যবহার করা হবে। এসব প্রযুক্তির মাধ্যমে সীমান্তের ওপারে থাকা ব্যক্তিদের শনাক্ত করার পাশাপাশি চোরাচালান, মাদক ও অস্ত্র পাচার এবং মানব পাচারের মতো আন্তঃসীমান্ত অপরাধ শনাক্ত করা সম্ভব হবে। এই প্রশিক্ষণকেন্দ্রের মাধ্যমে ড্রোন ও ডিজিটাল নজরদারি প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষ জনবল তৈরি করা হবে।
দারিদ্র্য বিমোচনে সত্তরের মডেল
গ্রামীণ মানুষের আয় ও কর্মসংস্থান বাড়িয়ে দারিদ্র্য কমাতে একটি প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ১৯৬০-এর কুমিল্লা মডেল এবং ১৯৭০ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার Saemaul Model-এর উপর ভিত্তি করে প্রস্তাবিত এই প্রকল্প প্রথমে কুমিল্লা, ফেনী ও বগুড়ায় পরীক্ষামূলকভাবে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা হয়। Saemaul Plus End-Poverty Program (SPEPP) নামের কারিগরি সহায়তা প্রকল্পটির মেয়াদ ধরা হয় ৮ বছর ৬ মাস। বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (BARD) ও পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (RDA) যৌথভাবে এটি বাস্তবায়ন করবে। প্রস্তাবিত ব্যয় ৫৭৩ কোটি ২১ লাখ টাকা। প্রকল্পটি নির্ধারিত এলাকায় সফল হলে পর্যায়ক্রমে সারা দেশে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
সেমাউল মডেল
সেমাউল মডেল (Saemaul Undong বা New Village Movement) হলো দক্ষিণ কোরিয়ার একটি অত্যন্ত সফল গ্রামীণ ও সমষ্টিগত উন্নয়ন কর্মসূচি। New Village Movement-এর উৎপত্তি হয় Saemaul Sa-up নামক একটি গ্রামীণ উন্নয়ন প্রকল্প থেকে। এই প্রকল্পটি শুরু করেন ড. কোয়াক ইয়ে-সুন, যিনি ১৯৬৪ সালে Saemaul Sa-up Hwe নামে একটি সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন এবং নিজস্ব অর্থায়নে নিজ এলাকা উত্তর গিয়ংসাং প্রদেশের চেওংদো কাউন্টিতে বেশ কিছু গ্রামীণ উন্নয়ন প্রকল্প চালু করেন। উদ্যোগের মধ্যে ছিল আধুনিক বাড়িঘর, রাস্তাঘাট এবং পানি ও বিদ্যুৎ অবকাঠামো নির্মাণ, পাশাপাশি বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান ও কৃষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা। দেশব্যাপী পরিদর্শনের সময় তৎকালীন দক্ষিণ কোরীয় প্রেসিডেন্ট পার্ক চুং-হি ঘটনাক্রমে এই প্রকল্পটির সংস্পর্শে আসেন। এই কাজে অনুপ্রাণিত হয়ে ২২ এপ্রিল ১৯৭০ প্রেসিডেন্ট পার্ক ড. কোয়াকের প্রকল্পটিকে আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করেন এবং দেশব্যাপী একটি কর্মসূচি হিসেবে New Village Movement বা 'নতুন গ্রাম আন্দোলন' শুরু করেন।
কুমিল্লা মডেল
কুমিল্লা মডেল হলো পল্লী উন্নয়ন কর্মসূচি, যা ১৯৫৯ সালে ড. আখতার হামিদ খানের নেতৃত্বে প্রবর্তিত হয়। কুমিল্লা মডেলের প্রধান ৪টি কর্মসূচি হলো-
♦ পল্লী পূর্ত কর্মসূচি: এ কর্মসূচি পল্লীর চাহিদা অনুযায়ী ও জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে পল্লীর প্রয়োজনীয় ভৌত অবকাঠামো উন্নয়নের পথিকৃৎ। পরবর্তীকালে এই কর্মসূচিটি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরে (LGED) রূপান্তরিত হয়।
♦ থানা সেচ কর্মসূচি: এই কর্মসূচি দ্বারা কৃষির আধুনিকায়নের মাধ্যমে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির প্রচেষ্টা গ্রহণ করা হয়। পরবর্তীকালে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC) নামক সরকারি প্রতিষ্ঠানটি এই দায়িত্ব পালন করছে।
♦ থানা প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন কেন্দ্র: তৃণমূল থেকে পরিকল্পনা গ্রহণ ও থানা পর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য থানা প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে এই থানা প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন কেন্দ্র (TTDC) থানা পর্যায়ে সরকারি বিভাগসমূহের সচিবালয় হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে যা উপজেলা পদ্ধতি হিসেবে পরিচিত।
♦ দ্বি-স্তর বিশিষ্ট সমবায়: দ্বি-স্তর বিশিষ্ট সমবায় ব্যবস্থা সমবায় আন্দোলনের উন্নত ও আধুনিক একটি রূপ।
এমআরটি-৫ যোগাযোগে গতির ধ্রুবতারা
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় MRT Line-5: Northern Route-এর সংশোধিত ব্যয় ধরা হয় ৮৯,৮৪৮.৩৬ কোটি টাকা। অন্যদিকে MRT Line-1-এর সংশোধিত ব্যয় ধরা হয় ১,১৪,৩৯৪.৮৯ কোটি টাকা। পাশাপাশি এমআরটি লাইন-৫ সাউদার্ন (গাবতলী-দাশেরকান্দি) প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। MRT'র পূর্ণরূপ: Mass Rapid Transit.
নতুন লাইন
এমআরটি লাইন-৫ (দক্ষিণ)
♦ একনেকে অনুমোদন: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
♦ স্টেশন: ১৫টি • পাতাল ১১ • উড়াল ৪।
♦ উড়াল স্টেশন: আফতাবনগর সেন্টার, আফতাবনগর পূর্ব, নাছিরাবাদ, দাশেরকান্দি
♦ পাতাল স্টেশন: গাবতলী, টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, শ্যামলী, কলেজ গেট, আসাদ গেট, শুক্রাবাদ, কারওয়ান বাজার, হাতিরঝিল, তেজগাঁও, আফতাবনগর।
♦ দৈর্ঘ্য: ১৭.২০ কিমি
♦ পাতাল: ১৩.১০ কিমি • উড়াল: ৪.১০ কিমি।
♦ কাজ শুরুর সম্ভাব্য সময়: সেপ্টেম্বর ২০২৬।
♦ কাজ শেষের সম্ভাব্য সময়: আগস্ট ২০৩৩।
♦ অর্থায়ন: এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB), দক্ষিণ কোরিয়ার ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন (EDCF) এবং বাংলাদেশ সরকার।
♦ মোট ব্যয়: ৪৫,৫০৩.৭৭ কোটি টাকা
দুটি সংশোধিত প্রকল্প
এমআরটি লাইন-৫ (উত্তর)
♦ প্রকল্প গ্রহণ: ৭ আগস্ট ২০১৮
♦ একনেকে অনুমোদন: ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯ JICA'র সঙ্গে ঋণ চুক্তি স্বাক্ষর: ২৮ জুন ২০২২
♦ উদ্বোধন: ৪ নভেম্বর ২০২৩
♦ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান: TOE Corporation and Spectra Engineers Limited
♦ নকশাকারী: নিপ্পন কোই কোম্পানি লিমিটেড অর্থায়নে · অর্থায়নে: বাংলাদেশ সরকার ও জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (JICA)
♦ দৈর্ঘ্য: ২০ কিমি
♦ পাতাল: ১৩.৫০ কিমি
♦ উড়াল: ৬.৫০ কিমি
♦ উড়াল অংশ: হেমায়েতপুর হতে আমিন বাজার এবং নতুন বাজার হতে ভাটারা
♦ পাতাল অংশ: আমিন বাজার হতে নতুন বাজার।
♦ স্টেশন: ১৪টি, হেমায়েতপুর, বালিয়ারপুর, মধুমতি, আমিন বাজার, গাবতলী, দারুস সালাম, মিরপুর-১, মিরপুর-১০, মিরপুর-১৪, কচুক্ষেত, বনানী, গুলশান-২, নতুন বাজার এবং ভাটারা।
এমআরটি লাইন-১
♦ একনেকে অনুমোদন: ১৫ অক্টোবর ২০১৯
♦ নির্মাণ কাজ উদ্বোধন: ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
♦ মোট দৈর্ঘ্য: ৩১.২৪ কি.মি.
♦ মোট স্টেশন: ২১টি।
♦ অর্থায়নে: বাংলাদেশ সরকার এবং জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (JICA)
-দেশের প্রথম উড়াল ও পাতাল মেট্রোরেল
|
এমআরটি লাইন বৃত্তান্ত |
||||
|
লাইন |
রুট |
দৈর্ঘ্য (কিমি) |
স্টেশন |
ধরন |
|
এমআরটি-০১ |
বিমানবন্দর-কমলাপুর নতুন বাজার-পিতলগঞ্জ |
৩১.২৪ |
২১টি |
উড়াল ও পাতাল |
|
এমআরটি -০২ |
গাবতলী-চট্টগ্রাম রোড |
২৪ |
- |
উড়াল ও পাতাল |
|
এমআরটি -০৪ |
কমলাপুর-নারায়ণগঞ্জ |
১৬ |
- |
উড়াল |
|
এমআরটি -০৫(উত্তর) |
হেমায়েতপুর-ভাটারা |
২০ |
১৪টি |
উড়াল ও পাতাল |
|
এমআরটি -০৫ (দক্ষিণ) |
গাবতলী- দাশেরকন্দি |
১৭.২০ |
১৫টি |
উড়াল ও পাতাল |
|
এমআরটি -০৬ |
উত্তরা-কমলাপুর |
২১.২৬ |
১৭টি |
উড়াল |
বিশেষ তথ্য
♦ বাংলাদেশের প্রথম মেট্রোরেল MRT Line-06.
♦ সার্কভুক্ত দেশের মধ্যে তৃতীয় দেশ হিসেবে বাংলাদেশ মেট্রোরেল চালু হয়।
♦ মেট্রোরেলের প্রথম নারী চালক- মরিয়ম আফ্রিকা।
দেশের প্রথম বৈদ্যুতিক ট্রেন
দেশে প্রচলিত রেল লাইনগুলোতে ডিজেলের পরিবর্তে বিদ্যুতের সাহায্যে রেলের ইঞ্জিন চলবে, এমন একটি বড় পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে প্রথম ধাপে নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা-জয়দেবপুর রুটকে বৈদ্যুতিক ট্রেনের আওতায় আনা হচ্ছে।
বৈদ্যুতিক ট্রেন
বৈদ্যুতিক ট্রেন হলো এমন এক ধরনের ট্রেন যেটির ইঞ্জিন প্রচলিত ডিজেল বা বাষ্পের পরিবর্তে বিদ্যুৎশক্তি দ্বারা চালিত হয়। এ ধরনের ট্রেনে ঐতিহ্যবাহী ডিজেল ইঞ্জিনের পরিবর্তে শক্তিশালী বৈদ্যুতিক মোটর বা Electric Multiple Unit-EMU প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। EMU হলো এমন এক ধরনের বৈদ্যুতিক ট্রেন ব্যবস্থা, যেখানে আলাদা কোনো মূল ইঞ্জিনের প্রয়োজন হয় না। এর পরিবর্তে ট্রেনের এক বা একাধিক কামরার নিচেই ট্র্যাকশন মোটর বসানো থাকে, যা পুরো ট্রেনকে টেনে নিয়ে যায়।
যে পদ্ধতিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ
♦ ওভারহেড লাইন (ক্যাটেনারি): ট্রেন বা ট্রামের মাথার ওপর ঝুলন্ত তার থেকে প্যান্টোগ্রাফ (Pantograph) নামক একপ্রকার বিশেষ ধাতব যন্ত্রের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়।
♦ থার্ড রেল: রেললাইনের দুটি মূল ট্র্যাকের পাশে বা মাঝখানে বাড়তি একটি বিদ্যুৎবাহী ট্র্যাক স্থাপন করা হয়।
♦ ফোর্থ রেল: এখানে দুটি মূল ট্র্যাকের পাশে ৩য় ট্রাক ছাড়াও মাঝখানে আরেকটি ৪র্থ ট্র্যাক থাকে।
♦ সারফেস লেভেল পাওয়ার সাপ্লাই: মাথার ওপর তার না রেখে মাটির নিচে রেললাইনের সমান্তরালে বিদ্যুৎ দেওয়া হয়।
বৈশ্বিক ইতিহাস
রেলপথ বিদ্যুতায়নের ইতিহাস ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে শুরু হয়, যখন বার্লিন, লন্ডন এবং নিউইয়র্ক সিটির মতো শহরগুলোতে প্রথম বৈদ্যুতিক ট্রামওয়ে চালু করা হয়। ১৮৮১ সালে বিশ্বের প্রথম বৈদ্যুতিক ট্রাম লাইন জার্মানির বার্লিনের কাছে লিখটারফেল্ডে চালু হয়। বিশ্বের প্রথম EMU ট্রেন ১৮৯৩ সালে ইংল্যান্ডের লিভারপুল ওভারহেড রেলওয়েতে চালু করা হয়। বর্তমানে, অনেক দেশেই বিস্তৃত বিদ্যুতায়িত রেল নেটওয়ার্ক রয়েছে। ১৯৮৫ সালে জাইকার উদ্যোগে বাংলাদেশে রেলওয়ে ইলেকট্রিফিকেশন নিয়ে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। ২৬ জুন ২০১৬ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশের প্রথম বৈদ্যুতিক ট্রেন চালুর লক্ষ্যে এমআরটি লাইন-৬ এর নির্মাণকাজ শুরু হয়। ২৮ ডিসেম্বর ২০২২ উত্তরা থেকে আগারগাঁও অংশে বিদ্যুৎচালিত এই মেট্রো ব্যবস্থার উদ্বোধনের মাধ্যমে বাংলাদেশ বৈদ্যুতিক রেলযুগে প্রবেশ করে।
নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা-জয়দেবপুর বৈদ্যুতিক ট্রেন
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ 'ইমপ্লিমেন্টেশন অব ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন অ্যালং নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা-জয়দেবপুর সেকশন অব বাংলাদেশ রেলওয়ে' প্রকল্প অনুমোদন দেয় একনেক। প্রকল্পের আওতায় বিদ্যমান রেললাইনের ওপর স্থাপন করা হবে 'ওভারহেড ওয়্যার' বা ওভারহেড ক্যাটেনারি সিস্টেম। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য নির্দিষ্ট দূরত্বে নির্মাণ করা হবে 'ট্রাকশন সাবস্টেশন'। ফলে একই লাইনে চলতে পারবে পুরোনো ডিজেল ইঞ্জিন ও নতুন বৈদ্যুতিক 'ইলেকট্রিক মাল্টিপল ইউনিট' (EMU) ট্রেন। এটি বাংলাদেশ রেলওয়ের বাস্তবায়নে দেশের প্রথম বৈদ্যুতিক ট্রেন।
একনজরে প্রকল্প
♦ প্রকল্পের নাম: ইমপ্লিমেন্টেশন অব ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন অ্যালং নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা-জয়দেবপুর সেকশন অব বাংলাদেশ রেলওয়ে
♦ বাস্তবায়নে: বাংলাদেশ রেলওয়ে
♦ মেয়াদকাল: জুলাই ২০২৬-জুন ২০৩১
♦ দৈর্ঘ্য: ৫২.৩২ কিলোমিটার
♦ ব্যয়: ৩,৮২২ কোটি টাকা
♦ অর্থায়ন: সরকার, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB) ও ইউরোপীয় বিনিয়োগ ব্যাংক (EIB)।
♦ ৫টি করে কোচ নিয়ে ১৬ সেট ইলেকট্রিক মাল্টিপল ইউনিট (EMU) সংগ্রহ এবং মেরামত কারখানা নির্মাণ করা হবে।
♦ ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানান, চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটে দ্বিতীয় বৈদ্যুতিক ট্রাকশন চালুর জন্য সম্ভাব্যতা যাচাই ও বিস্তারিত নকশার কাজ শেষ হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়: উচ্চশিক্ষার বাতিঘর
৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম উপাচার্য নিয়োগের মাধ্যমে দেশের ৬১তম বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হয়। অন্যদিকে ১৭ আগস্ট ২০২৬ 'ইকো ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (EUST), ঠাকুরগাঁও' নামের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন দেওয়া হয়। এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা তথ্য জানুন।
বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয়
'ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়'-বাংলাদেশের তথা পূর্ব বাংলার প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়। ১ জুলাই ১৯২১ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। এরপর পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশে আরও ৬০টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়। আর ৫ আগস্ট ১৯৯২ জাতীয় সংসদে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিল পাশ করা হয়। 'নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়' দেশের প্রথম সরকার অনুমোদিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। ১০ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৩ বিশ্ববিদ্যালয়টির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। এরপর দেশে আরও ১১৬ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন পায়।
বাংলাদেশের প্রথম
|
সাধারণ |
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় |
|
মেডিকেল |
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় |
|
কৃষি |
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় |
|
প্রকৌশল |
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় |
|
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি |
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় |
জেলাভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা
|
ঢাকা ১০টি |
বরিশাল, পটুয়াখালী, পিরোজপুর, চাঁদপুর, কুমিল্লা, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী, রাঙ্গামাটি, গোপালগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, টাঙ্গাইল, যশোর, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, বগুড়া, পাবনা, নওগাঁ, সিরাজগঞ্জ, দিনাজপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, রংপুর, ঠাকুরগাঁও, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, জামালপুর, নেত্রকোণা, শরিয়তপুর ১টি করে। |
|
খুলনা ৪টি |
|
|
চট্টগ্রাম ও গাজীপুর ৫টি করে |
|
|
রাজশাহী ও সিলেট ৩টি করে |
|
|
ময়মনসিংহ ২টি |
♦ স্বাধীন বাংলাদেশে স্থাপিত প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়- ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ। দেশের ৫ম স্বায়ত্তশাসিত ও ৫৭তম সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়- ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি। অন্য চারটি হলো- ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।
♦ শিক্ষার্থী সংখ্যায় দেশের বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয়- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।
♦ আয়তনে দেশের বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয়- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।
♦ প্রাচ্যের অক্সফোর্ড (Oxford of the East) নামে খ্যাত-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
♦ প্রাচ্যের ক্যামব্রিজ (Cambridge of the East) নামে খ্যাত-রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
♦ তালিকাভুক্ত শিক্ষার্থী ও অধিভুক্ত কলেজের সংখ্যার ভিত্তিতে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।
♦ তালিকাভুক্ত শিক্ষার্থী সংখ্যার ভিত্তিতে বিশ্বের অষ্টম বৃহত্তম উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান- বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
♦ বর্তমানে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ৬১টি এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ১১৭টি।
সর্বশেষ ৪ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়
|
ক্রম. |
বিশ্ববিদ্যালয় |
বিল পাশ |
রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষর |
প্রথম উপাচার্য |
|
|
নাম |
নিয়োগ |
||||
|
৫৮তম |
ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় |
২৯ অক্টোবর ২০২৩ |
১৩ নভেম্বর ২০২৩ |
মো. ইস্রাফীল |
৭ মে ২০২৬ |
|
৫৯তম
|
লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় |
২ নভেম্বর ২০২৩ |
১৩ নভেম্বর ২০২৩ |
ড. মোহাম্মদ হানিফ মুরাদ |
৭ জুন ২০২৬ |
|
৬০তম
|
নারায়ণগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় |
১ নভেম্বর ২০২৩
|
১৩ নভেম্বর ২০২৩ |
ড. মো: নাজমুস সাদাত |
২৫ আগস্ট ২০২৬ |
|
৬১তম
|
শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় |
২৯ অক্টোবর ২০২৩ |
১৩ নভেম্বর ২০২৩ |
ড. হোসেন উদ্দিন শেখর |
৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ |


